Bangladesh ex-pm Sheikh Hasina death is real incident ? হাসিনার রায় অভিযুক্ত শেখ হাসিনা, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল প্রাক্তন পুলিশ প্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন
- অভিযোগ উস্কানিমূলক বক্তৃতা প্রধানঘাতিক অস্ত্র দিয়ে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ রংপুরের ছাত্র আবু সাঈদ কে হত্যা ঢাকার চানঘরপুলে ছয়জনকে হত্যা আশুলিয়ার ৬ জনকে পুড়িয়ে হত্যা
- উস্কানিমূলক বক্তৃতার অভিযোগে হাসিনাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড তিনটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড আসাদুজ্জামানকে চানখারপুল ও আশুলিয়ার হত্যার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড। পাঁচ বছর কারাদণ্ড আবদুল্লাহ আল মামুনকে রাজ সাক্ষী হওয়ার কম শাস্তি হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের নির্দেশ দিতে হবে জুলাই শহীদদের
শেখ হাসিনা দোষী সাব্যস্ত, মৃত্যুদণ্ডের রায় – রাজনৈতিক উত্তেজনায় বাংলাদেশে নতুন সংকট
ঢাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি
বাংলাদেশের একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT-BD) আজ (১৭ নভেম্বর ২০২৫) রায় ঘোষণা করেছে: ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে “মানবতাবিরোধী অপরাধ” এর দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি আদালতে উপস্থিত না থেকে (in absentia) বিচার করা হয়েছে কারণ তিনি গত বছর (২০২৪) দেশ থেকে চলে গিয়েছিলেন।
সাথে, তার সহযোগী হিসেবে প্রাক্তন গৃহমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও একই দণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে প্রাক্তন পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, কারণ তিনি রাষ্ট্র-সাক্ষী (state witness) হিসেবে সহযোগিতা করেছেন
অভিযোগ ও রায়ের ভিত্তি -Bangladesh ex-pm Sheikh Hasina death is real incident ?
ট্রাইব্যুনালের রায়ে হাসিনার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা বেশ গুরুতর:
বিচারকরা বলছেন, তিনি হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন–শিক্ষার্থী প্রতিবাদের সঙ্গে মোকাবেলায়।
এছাড়া, রায়ের একটি অংশে বলা হয়েছে, তিনি “উস্কানিমূলক বক্তব্য” দিয়েছিলেন এবং গৃহের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে অপরাধ সংগঠিত করেছিলেন।
ট্রাইব্যুনাল মতে, তার এই কার্যকলাপ “ব্যাপক ও পরিকল্পিত” ছিল, এবং এটি “নাগরিকদের বিরুদ্ধে” পরিচালিত ছিল।
উল্লেখ্য, ট্রাইব্যুনাল বলেছে যে রায় আসলে তিনটি মূল দায় অনুযায়ী গৃহীত হয়েছে:
- উত্তেজনা সৃষ্টি (incitement)
- হত্যা উদ্দেশ্য বললে আদেশ দেওয়া
- নিরস্ত্র করণের দায় / অপরাধ প্রতিরোধে ব্যর্থতা।
হাসিনার প্রতিক্রিয়া – Bangladesh ex-pm Sheikh Hasina death is real incident ?
শেখ হাসিনা রায় ঘোষণার পর এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে বিচার প্রক্রিয়া ছিল পক্ষপাতমূলক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, “আমি ন্যায্যভাবে আত্মরক্ষা করার সুযোগ পাইনি।”

তিনি আরও যুক্ত করেছেন, যদি “সঠিক এবং নিরপেক্ষ আদালত” হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপন করতে তিনি প্রস্তুত আছেন।
- প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা ঝুঁকি
রায়ের পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং অনেক পেছনের প্রতিবাদ-বাদী গোষ্ঠী এই রায়কে ইতিহাসে একটি বড় ঘটনা হিসেবে দেখছে।
একই সময়, জাতিসংঘ মানবাধিকার দফতর প্রতিরক্ষা করেছে যে অন্তর্হীনভাবে (in absentia) বিচার এবং মৃত্যুদণ্ড দেওয়া “ন্যায্য বিচার মানদণ্ডে” প্রশ্ন উত্থাপন করে।
কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব -Bangladesh ex-pm Sheikh Hasina death is real incident ?
ভারত-বাংলাদেশ মধ্যকার প্রভাব: বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দফতর ইতিমধ্যেই দাবি করেছে যে ভারতকে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার ও হস্তান্তর করতে হবে। তবে ভারত এখনও প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সংযমী রেখেছে।
মানবাধিকার দৃষ্টিকোণ: আমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অন্যান্য অধিকার গ্রুপ এই রায়কে ন্যায্য নয় বলছে এবং “অত্যাচার বিরোধী ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়া তৈরি করার” আহ্বান জানাচ্ছে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: এই রায় আসছে এমন এক সময়ে, যখন বাংলাদেশের পুরাতন রাজনৈতিক গঠন পরিবর্তনের মুখে রয়েছে। দেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এই ঘটনায় বড় চ্যালেঞ্জের মুখে যেতে পারে।
ভবিষ্যৎ দৃষ্টিকোণ -Bangladesh ex-pm Sheikh Hasina death is real incident ?
- আকসার আপিল ও আইনি পথ
রায়কে চ্যালেঞ্জ করার জন্য শেখ হাসিনার পক্ষে সীমিত পথ রয়েছে, কারণ তিনি দেশের বাইরে আছেন। তার আপিল করার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু সেটি সম্ভব করতে হলে প্রথমে আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার প্রয়োজন হতে পারে। - রাজনৈতিক উত্তেজনা
রায় ঘোষণার পর দেশজুড়ে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। বিরোধী গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই প্রতিক্রিয়া শুরু করেছে, এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভাজন আরও গভীর হতে পারে। - মানবাধিকার এবং বিচার প্রক্রিয়া
যদি এই রায়কে আন্তর্জাতিক মানের বিচার হিসাবে বিবেচনা করা হয়, তবে ভবিষ্যতে বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, স্বাধীনতা এবং ন্যায্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে আসতে পারে। - ভবিষ্যৎ নির্বাচন ও ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস
এই রায় আগামী নির্বাচনের আগে এসেছে। এটি রাজনৈতিক দলগুলো এবং ভবিষ্যত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে — বিশেষ করে ক্ষমতা পুনর্বিন্যাস, রাজনৈতিক দিকনির্দেশ এবং জনগণের আস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে।
